বাধ্য হয়ে বাপ-ছেলের ধ’র্ষণের শি’কার মেনে নেন- জোছনা !!

0
2

গ’ভীর রাত।

বাসার সবাই ঘুমিয়ে। ঘুমিয়ে ছিলেন জোছনা বেগমও।

কিন্তু হ’ঠাৎ অ’নুভব করেন তার শ’রীরে একটি হাত। হাতটি ধীরে ধীরে ছুঁয়ে যাচ্ছে তার স্প’র্শকাতর অ’ঙ্গ।

চোখ খু’লে তাকাতেই আঁতকে উঠেন। দেশে থাকাকালীনও এরকম বি’পদে পড়তে হয়নি তাকে। বিদেশের মাটিতে এসে এ কোন ভ’য়ঙ্কর প্রা’ণীর শি’কারে প’রিণত হচ্ছেন।

যে বাড়িতে কাজ করেন সেই বাড়ির কর্তাই যখন শি’কারী তখন তার কী করার আছে। কিছু বলার আগেই জোছনাকে ঝাপটে ধ’রেন গৃহকর্তা।

শ’রীরের সব শ’ক্তি দিয়ে বা’ধা দেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্য’র্থ হন। ওই রাতেই ধ’র্ষণের শি’কার হন জোছনা। ঘ’টনাটি ঘ’টে সৌদি আরবের রিয়াদে। এক আরব ব্যবসায়ীর বাসায়।

গৃহকর্তার ধ’র্ষণের শি’কার জোছনা পরদিন বিষয়টি জা’নান গৃহকর্ত্রীকে। সৌদি আসার আগে একটু আধটু আরবি ভাষা আয়ত্ব করেছিলেন। তা দিয়েই বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেন। সব জে’নে উল্টো

ধমক দেন গৃহকর্ত্রী। জা’নিয়ে দেন, এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলা যাবে না। তারপর থেকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও গৃহকর্তার যৌ’ন নি’র্যাতন মেনে নেন জোছনা।

অনেক স্বপ্ন নিয়ে বিদেশের মাটিতে পা রেখেছেন বরিশালের মেয়ে জোছনা। বাড়িতে বয়স্ক মা-বাবা, ছোট দুই বোন ও এক ভাই। অভাব যেনো পিছু ছাড়ে না।

বড় সন্তান হিসেবে কিছু একটা ক’রতে ইচ্ছে করে জোছনার। প্রতিবেশী রফিক মিয়ার মাধ্যমেই খোঁ’জ পেয়েছিলেন সৌদিতে নারী শ্রমিক নিচ্ছে।

রফিককে এজন্য অর্ধলক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত জে’নেছেন নারী শ্রমিকদের জন্য ভিসা ফ্রি। ঋণ করেই

টাকাগুলো দিতে হয়েছে তাকে। বিদেশে আসতে বা’ধা দিয়েছিলেন মা-বাবা। এসব বা’ধা বিপত্তি ডিঙ্গিয়ে জোছনা ছুটে যান প্রবাসে।

এখানে আসার তৃতীয় দিনে এই ঘ’টনা ঘ’টে। যে কক্ষে জোছনাকে থাকতে দেওয়া হয়েছে এটি কিচেন সংল’গ্ন। দরজাহীন এক কক্ষ। এই সুযোগে সহজেই জোছনার কাছে যেতে পারেন গৃহকর্তা।

প্রথম বার ধ’র্ষণের শি’কারের পর থেকে রাত বাড়লেই আগমন ঘ’টে তার। ধ’র্ষণের শি’কার হন তিনি। জোছনাও মেনে নেন। প্রায় রাতই কাটছিলো এভাবেই।

কিন্তু একই বাসায় জোছনা শুধু গৃহকর্তার দখলেই থাকেননি। হ’ঠাৎ এক রাতে গৃহকর্তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেজো ছেলেও দস্যুর মতো দুটি হাত বাড়িয়ে

দেয় জোছনার ঘুমন্ত শ’রীরে। পিতার মতোই এই যুবক তাকে ঝাপটে ধ’রেন। সেই রাতে সাহস করে চিৎকার করেন জোছনা।

বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ করার কারণে উল্টো ধমক দেন জোছনাকে। পরের রাতে আবারও জোছনার কক্ষে যান ভার্সিটি পড়ুয়া ওই যুবক। জোছনা এবারও বা’ধা দেন। তীব্র বা’ধা। এবার যুবক তাকে মা’রধ’র করেন। বাধ্য হয়েই মেনে নেন বাপ-ছেলের যৌ’ন নি’র্যাতন। এভাবে কয়েক মাস।

নি’র্যাতন সহ্য ক’রতে পারছিলেন না কিছুতেই। তাই পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধা’ন্ত নেন। এক রাতে ওই বাসা থেকে পালিয়ে যান জোছনা।

বাইরের ক’র্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের সহযোগিতায় পৌঁছে যান সেইফ হোমে। তারপর ২০১৯ সালে দেশে ফি’রেন তিনি। এখন পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন ঢাকার মিরপুরে একটি কারখানায়।