টানা দ্বিতীয় জয়ে ক্যাঙ্গারুদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

0
7

এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কিছুটা আগ্রাসী শুরু করেছিলো অস্ট্রেলিয়া দল। যদিও দলীয় মাত্র ১৩ রানেই ওপেনার অ্যালেক্স ক্যারিকে হারিয়ে বসে অজিরা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই শেখ মাহাদির বলে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন ক্যারি।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে এসে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে আরেক ওপেনার জশ ফিলিপে সাজঘরে ফিরে যান ব্যক্তিগত মাত্র ১০ রানে। আগের ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হওয়া মিচেল মার্শ এই ম্যাচেও ছিলেন দুর্দান্ত। টাইগার বোলারদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেয়ার পাশাপাশি রানও তুলছিলেন দ্রুত গতিতে।

মইজেস হ্যানরিক্সের সাথে মিলে ৫১ রানের জুটি গড়েন মার্শ। তবে এই জুটি বিচ্ছিন্ন হয় ২৫ বলে ৩০ রান করে হেনরিক্স সাকিবের শিকারে পরিনত হলে। খানিক সময় পর বিদায় নেন মার্শও। ৪২ বল মোকাবেলায় আগের ম্যাচের সমান ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন ৫টি চারের সাহায্যে।

শেষের দিকে আর কোনো ব্যাটসম্যান দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের বোলারদের সামনে। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২১ রানের পুঁজি পায় অজিরা।

জবাবে খেলতে নেমে অবশ্য শুরু থেকেই বিপদে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশ দলকেও। ২ বল মোকাবেলায় কোনো রান না করেই অ্যান্ড্রু টাইয়ের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য সরকার। তার সাথে থাকা অপর ওপেনার নাইম শেখও ফিরেন ১৩ বল মোকাবেলায় মাত্র ৯ রান করে।

লো স্কোরিং ম্যাচে তিন নম্নরে সাকিবের পর চার নম্বরে নামানো হয় শেখ মাহাদি হাসানকে। তবে একের পর এক ক্যাচ তুলে দিতে থাকেন মাহাদি। সাকিবের সাথে মাহাদির ৩৭ রানের জুটি বিচ্ছিন্ন হয় ১৭ বল মোকাবেলায় সাকিব ২৬ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে।

অন্যদিকে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছিলেন ব্যর্থ। মাহাদি ২৪ বলে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে দলের গুরুদায়িত্ব পড়ে নুরুল হাসান সোহান এবং আফিফ হোসেন ধ্রুবর কাঁধে।

এই দুই ব্যাটসম্যান অবশ্য ধীরে ধীরে দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। রানের চাপ কমিয়ে দেশেশুনে খেলতে থাকেন তারা। আফিফ অবশ্য ব্যক্তিগত ১ রানেই রিভিউ নিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন।

সেস ৩ ওভারে টাইগারদের জয়ের জন্য ১৪ রান প্রয়োজন হলে ৮ বল হাতে রেখেই দলকে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন আফিফ ও সোহান। আফিফ অপরাজিত ছিলেন ৩১ বল মোকাবেলায় ৩৭ রান করে ও সোহান ২১ বল মোকাবেলায় অপরাজিত ছিলেন ২২ রান করে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে পাঁচ ম্যাচ টি-২০ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এইয়ে গেল বাংলাদেশ।