বাংলাদেশের এমন খেলা দেখে ২য় ম্যাচ শেষে যাদের প্রশংসা করলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড

0
3

প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচেও উড়ে দিল অজিদের। আজ সফরকারীদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহর দল।

এতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা। বাকি ৩ ম্যাচের ১ টি জিতলেই সিরিজ নিজেদের করে নিবে স্বাগতিকরা।

আগের ম্যাচে টস জিতে বোলিং করলেও এদিন প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় অজিরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২১ রান তুলে সফরকারীরা। জবাবে ৮ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সৌম্যকে হারায় বাংলাদেশ। ২ বলে কোন রান করার আগেই ফেরেন সৌম্য। আরেক ওপেনার নাইম শেখও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৩ বলে ৯ রান করে হ্যাজেলউডের বল বোল্ড হয়ে ফিরেন নাঈম।

সৌম্য সরকার ফেরার পর তৃতীয় ওভারে উইকেটে এসেই মিচেল স্টার্ককে টানা তিন বলে বাউন্ডারি হাঁকানো সাকিব আল হাসান অ্যাস্টন অ্যাগারের করা সপ্তম ওভারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ দেন আম্পায়ার।

তবে রিভিউ নিয়ে সফল হন সাকিব। যদিও কিছুক্ষণ বাদেই ১৭ বলে ৪ চারে ২৬ রান করে টাইয়ের বলে বোল্ড হন তিনি।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুতই ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৪ বল খেলে কোন রান করতে পারেননি তিনি।

এরপর দুইবার জীবন পাওয়া মেহেদীও ফেরেন ২৪ বলে ২৩ রান করে। এতে ৬৭ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তবে আবারও বাংলাদেশের হয়ে হাল ধরেন আফিফ হোসেন৷ শুরুতেই আস্পায়ার এলবিডব্লু আউট দিলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি।

এরপর সোহানকে নিয়ে বড় জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন আফিফ। দুজনের অসাধারণ জুটিতে জয়ের দিকে এগুতে থাকে টাইগাররা।

দুজনের অপরাজিত ৫৬ রানের জুটিতেই ৫ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। আফিফ ৩৭(৩১) ও সোহান ২২(২১) রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে অজি ব্যাটাররা মোটেও হাতখুলে খেলতে পারেনি।

সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেছেন মিচেল মার্শ। ৪২ বলে ৫ চারে এই রান তার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন ময়জেস হেনরিকস। ২৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় এই রান করেন তিনি।

বাংলাদেশের পক্ষে এদিন সবচেয়ে সফল মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে ২৩ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

শরিফুল ২৭ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান। ৪ উইকেট নিয়ে আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নাসুম আহমেদ এদিন ছিলেন উইকেটশূন্য।

ম্যাচ শেষ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক দুই দলের বোলারদের প্রশংসায় ভাসান। তিনি বলেন, “আমরা শুরু দিকে খুব ভাল অবস্থায় ছিলাম কিন্তু ব্যাটিংয়ের শেষটা ভাল করতে পারেনি।

আমাদের ১৩০ বা ১৪০ রান করা দরকার ছিল যা এই উইকেটের জন্য জয়ের মত স্কোর হতে পারতো। দুই দলের বোলাররা খুবই ভাল বল করেছে। আমাদের বোলারদের নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। শুধু ব্যাটিংটা একটু ভাল করতে হবে।”