কোনো নায়ক বাকি নেই, কার স’ঙ্গে হয়নি! অ’কপটে স্বীকার ফারিয়ার

0
4

শবনম ফারিয়া। তিনি একাধারে একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী এবং মডেল। মূলত বাংলা নাটকে অভিনয় দিয়েই লাইমলাইটে আসেন। ২০১৮ সালে দেবী চলচ্চিত্র দিয়ে শুরু হয় তার বড় পর্দার পথচলা।

যে কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে বাচসাস পুর’স্কার এবং শ্রেষ্ঠ নবীন অভিনয়শিল্পী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারও ঝুলিতে পুরেছেন। এদিকে অভিনয় করেতে গিয়ে তাকে বিভিন্ন চ’রিত্রে রূপায়ন করতে হয়েছে।

বউ হয়ে বিয়ের পিঁড়িতেও বসতে হয়েছে অসংখ্যবার। কিন্তু গত ২৯ অক্টোবর নাটক-সিনেমায় কাল্পনিক বিয়েতে ‘কবুল’ উচ্চারণ বন্ধ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠান তিনি।

এতে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে বিভিন্ন সিনেমা, নাটক এবং ভিডিওর বিভিন্ন ‘দৃ’শ্যে বিয়ের দৃ’শ্যায়নে মু’সলিম অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা পূরণসহ ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণ করে থাকেন। এর মাধ্যমে তারা মুসলিম আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গণ্য হবেন। তাই মুসলিম আইন অনুসারে বিয়ের ক্ষেত্রে সরাসরি মুসলিম আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ হবে। অভিনয়ের যু’ক্তিতে এই বিয়েকে অ’স্বীকার করা যাবে না।

অভিনয়ের মধ্যে কেউ মিষ্টি খেলে সে যেমন মিষ্টির স্বাদ অনুভব করবে। অপরদিকে অভিনয়ের মধ্যে কেউ বি’ষ খেলে সে বি’ষক্রিয়ায় আ’ক্রান্ত হবে। এমন যুক্তিও দেখানে হয় সেই লিগ্যাল নোটিশে।

এমন লিগ্যাল নোটিশের খবরে বিস্মিত এই অভিনেত্রী। তিনি তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, এখন আমি কি করবো? আমার যে শ খানেক বিয়ে অলরেডি হয়ে গেছে! আমার কি হবে? টেনশনে সারারাত ঘুমাতে পারি নাই…।

শবনম ফারিয়ার স্ট্যাটাসে মীর মোহাম্মদ রাকিব হাসান মন্তব্য করেন, সবচেয়ে বেশিবার বিয়ে হলো কার স’ঙ্গে? উত্তরে ফারিয়া লিখেন, বাংলাদেশে কোনো নায়ক বাকি নেই, কার স’ঙ্গে হয়নি!

এদিকে নোটিশ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে সিনেমা, নাটকের বিয়ের দৃ’শ্যায়নে ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণে নিষে’ধাজ্ঞা জারি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে আইনজীবী জানান।