কথার শব্দে ঘুম ভে’ঙে যাওয়ায় ১০ শিক্ষার্থীকে পি’টিয়ে আ’হত, শিক্ষক গ্রে’প্তার

0
4

শিক্ষার্থীদের কথার শব্দে ঘুম ভে;ঙে যাওয়ায় ক্ষি;প্ত হয়ে ১০ শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পি;টিয়ে আ;হত করেছেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ নামের এক শিক্ষক।

গতকাল শনিবার বিকেলে ঝা;লকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া গ্রামের একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। গতকাল রাতেই ওই শিক্ষককে আ;টক করে পু;লি;শের হাতে তুলে দেয় এলাকাবাসী।

পু;লি;শ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, করোনার সময়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে জেলার কে. এ খান হাফেজি মাদ্রাসা চালু রাখা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া চালিয়ে আসছিলেন মাদ্রাসাটির একমাত্র শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ।

শনিবার বিকেলে তিনি মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করছিল। তাদের কথার শব্দে ওই শিক্ষকের ঘুম ভে;ঙে যায়। এতে ক্ষি;প্ত হয়ে শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ কক্ষের দরজা আ;টকে ১০ শিক্ষার্থীকে বেদম প্র;হার করেন।

এতে শিক্ষার্থীরা ব্য;থায় কা;ন্নাকা;টি করতে থাকলে সব শিক্ষার্থীকে কক্ষের ম;ধ্যে আ;টকে রেখে বাইরে থেকে তালা ঝু;লিয়ে দেন। মা;রধ;রের বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য সব শিক্ষার্থীকে ভ;য়ভী;তিও দেখানো হয়।

মাগরিবের নামাজের সময় পেছন থেকে কৌশলে নলছিটি উপজেলার বারইকরণ গ্রামের প্রবাসী আব্দুর রহিমের ছেলে মো. সিয়াম (৯) পালিয়ে কাঁ;দতে কাঁ;দতে পোনাবালিয়া বাজারে গেলে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পারে।

বাজারের শতাধিক ব্যক্তি মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহকে আ;টক করে। এ সময় আ;হ;ত শিক্ষার্থীদের উ;দ্ধার করে চি;কি;ৎসা দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে রাতেই ঝালকাঠি সদর থা;না পু;শ ওই মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহকে গ্রে;প্তা;র করে।

ঝালকাঠি থা;নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান জানান, শিশু শিক্ষার্থীদের নি;র্যা;তনের অ;ভিযো;গে নারী ও শিশু নি;র্যা;তন দমন আ;ইনে এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মা;মলা করেছেন। মাদ্রাসাটিতে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ দাবি করে জানান, পড়া না পারায় তাদের শা;স্তি দেওয়া হয়েছে।