ভাগ্নের স’ঙ্গে ‘আপ’ত্তিকর অব’স্থায়’ মামিকে আ’টক করল গ্রামবাসী

0
4

রাজশাহীর তানোরে মামি ও ভাগ্নেকে একই ঘর থেকে ‘আপ’ত্তিকর অব’স্থায়’ আ’টক করে গ্রামবাসী। আ’টকের পর তাদেরকে পু’লিশে দেওয়ার পাঁচ দিন পর আত্মহ’ত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন মামি। এক সন্তানের মা ওই বিধবা নারী এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকি’ৎসাধীন রয়েছেন।

পু’লিশ ও এলাকাবসী সূত্রে জা’না গেছে, তানোর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক উত্তম চন্দ্র ক’র্মকার তার প্রতিবেশী (স’স্পর্কে মামি) এক বিধবা নারীর স’ঙ্গে প্রায় দুই বছর ধ’রে শা’রীরিক স’স্পর্ক করে আসছিলেন। গত ১ আগস্ট রোববার রাতে ওই নারীর ঘরে আপ’ত্তিকর অব’স্থায় তাদের আ’টক করে গ্রামবাসী।

পরের দিন সোমবার তাদের পু’লিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। থা’নায় যেয়ে ওই নারী তার কথিত ভাগ্নের বি’রুদ্ধে কোনো আ’ইনগত ব্যব’স্থা নিবেন না বলে লিখিত দেন। পরে পু’লিশ তাকে তার মায়ের জিম্মায় ছে’ড়ে দেয় এবং ভাগ্নে উত্তমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। এরপর জা’মিনে মু’ক্ত হয়ে গত শনিবার মামিকে রাজশাহী শহরে ডেকে আনেন ভাগ্নে উত্তম। আগে প্র’তিশ্রুতি দিলেও তখন মামিকে বিয়ে ক’রতে অস্বীকৃতি জা’নান তিনি। ফলে স’ঙ্গে থাকা ব্লেড দিয়ে হাতে কে’টে ও বিষপানে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা চালান মামি। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উত্তম চন্দ্র ক’র্মকার বলেন,

‘আমি জা’মিনে মু’ক্ত হওয়ার পরে আমা’র স’ঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্র’কাশ করেন মামি। তিনি আমাকে বিয়ের জন্য চা’প দিলে আমি রাজি না হওয়ায় আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করেন। পরে আমি তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি।’

ঘ’টনার সত্যতা নি’শ্চিত করে তানোর থা’নার ভারপ্রাপ্ত ক’র্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ওই দিন বিধবা মামি তার ভাগ্নের বিরুদ্ধ কোন মা’মলা না করায় ভাগ্নেকে ১৫১ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছিল। বিষপানে আত্মহ’ত্যা চেষ্টার ঘ’টনাটি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থা’না এলাকায় হওয়ায় সেখানেই আ’ইনগত ব্যব’স্থা গ্রহণ ক’রতে হবে।’