ব্যবসায়ীকে বাঁ’চাতে ফ্রিজে ২ মাস ধরে রাখা হয় মাথার খুলি

0
3

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বাকি না দেওয়ায় ব্যবসায়ী মো. সেলিমকে পি;টি;য়ে মাথার খু;লি ভা;ঙা;র ঘটনা ঘটেছে।

অবশেষে দুই মাস ১০ দিনের মাথায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা;রা গেছেন। তবে তাকে বাঁ;চাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন চিকিৎসকরা।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ;ত্যু হয়। নি;হ;ত সেলিম দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নতুন বাক্তারচর এলাকার বাসিন্দা। তবে তিনি পাশের মোল্লারহাট বাজারে জ্বা;লানি তেলের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্যবসায়ী সেলিম জ্বা;লানির ব্যবসা করেন। তার কাছ রানা রায়হান নামে এক ক্রেতা বাকিতে ১১ হাজার টাকার ডিজেল কিনেন। কিন্তু সেই টাকা তিনি পরিশোধ করেননি। কিন্তু গত ৩ জুন রানা আরো ৬৩ হাজার টাকার তেল বাকিতে নিতে সেলিমের দোকানে আসেন।

সেলিম দোকানে ছিলেন না। তখন দোকানে থাকা সেলিমের ছোটভাই শরীফ ও বোনজামাই নূর মোহাম্মদ বাকিতে ডিজেল দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষু;ব্ধ হয়ে গত ৩ জুন দুপুরে রানা রায়হানের নেতৃত্বে আব্বাস আলী,

হাতিম মিয়া, রবিউল্ল্যাহ, জাহের আলী, শাহীন, সজিবসহ ১০-১২ জন লা;ঠিসোটা নিয়ে শরীফ ও নূর মোহাম্মদের ওপর হা;ম;লা চালায়। এ সময় বাড়িতে ছিলেন সেলিম। খবর পেয়ে তিনি ঘট;নাস্থ;লে গেলে স;ন্ত্রা;সীরা তাকে পি;টি;য়ে মাথার খু;লি ভে;ঙে দেয়।

সূত্র আরো জানায়, গুরু;তর অবস্থায় সেলিমকে উ;দ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দফা মাথায় অ;স্ত্রো;পচার করা হয়। অ;স্ত্রোপচারের সময় খুলির কিছু অংশ মাথা থেকে খুলে আলাদা করে রাখেন চিকিৎসকরা। সেই খুলি এনে সেলিমের বাড়ির ফ্রিজে রাখা হয়।

সেলিমের স্ত্রী আকলিমা বেগম বলেন, মাথার অ;;পচা;রের পর খু;লির কিছু অংশ ফ্রিজে রাখতে চিকিৎসকরা। তারা জানান, অ;স্ত্রো;পচার সফল হলে ফ্রিজে রাখা খু;লি;র অংশ মাথায় প্র;তিস্থাপন করা হবে। কিন্তু সেটি আর হলো না। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে তিনি মা;রা গেছেন।

এ সময় বা;রবার মূ;র্ছা যাচ্ছিলেন আকলিমা। তিনি বলেন, বিনা অ;পরা;ধে ওরা আমার স্বামীকে হ;ত্যা করেছে। তিন সন্তান (দুই মেয়ে ও এক ছেলে) নিয়ে এখন আমি কীভাবে চলব?

পু;লিশের তথ্যানুযায়ী, ৩ জুন ঘটনার পর স্বামীকে হ;ত্যাচে;ষ্টার অ;ভি;যোগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থা;নায় একটি মা;ম;লা করেন আকলিমা। স্ত্রীর করা মা;ম;লায় পু;লি;শ তিনজনকে গ্রে;ফ;তার করা হয়।

তবে আ;সা;মিরা আ;দা;লত থেকে জা;মিনে ছাড়া পেয়ে যান। হ;ত্যা;চেষ্টা মা;ম;লা;টির প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন জাজিরা পু;লিশ ফাঁ;ড়ির পরিদর্শক মো. কায়সার।

এদিকে, নি;হ;তের স্বজনদের অ;ভিযো;গ, প্রথম কর্মকর্তা তদন্তে গুরুত্ব দেননি। পরে তারা এ ব্যাপারে মৌখিকভাবে থা;নার ওসিকে জানালে তিনি তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করেন। এখন মা;ম;লা;টির ত;দ;ন্ত করছেন এসআই নাজমুল আলম।

এসআই নাজমুল আলম বলেন, হ;ত্যা;চে;ষ্টার অ;ভিযো;গে মা;ম;লা হয়েছিল। আ;হ;ত ব্যক্তির মৃ;ত্যু;র ফলে মা;ম;লাটি এখন হ;ত্যা মা;ম;লায় রূপ নেবে। আগের ধারাগুলোর সঙ্গে ৩০২ ধারা যোগ হবে। এখন হ;ত্যা মা;ম;লা হিসেবেই এটি তদন্ত হবে।