১৫ দিনেই ভে’ঙে গেল চার স্কুলছাত্রীর বিয়ে

0
5

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গত ১৫ দিনে চারটি বাল্যবিয়ে পণ্ড করেছে উপজে’লা প্রশা’সন। এ সময় লকডাউন অমান্য করা ও বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় কনে পক্ষকে জ’রিমানা ও মুচলেকা আদায় করা হয়েছে।

আখাউড়া পৌর শহরের বড় বাজার, একই উপজে’লার ধ’রখার ইউনিয়নের নূরপুর ও রুটি গ্রাম, মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামে এসব বাল্যবিয়ের আলোজন করা হয়েছিল।

জা’না গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে পৌর শহরের বড় বাজারে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন চলাকালে হাজির হন ইউএনও রুমানা আক্তার। এ সময় বিয়ে ভে’ঙে দিয়ে কনে পক্ষকে ১ হাজার টাকা জ’রিমানা করেন তিনি।

একইভাবে সোমবার ওই উপজে’লার ধ’রখার ইউনিয়নের নূরপুরের সোলাইমান মিয়ার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছিল। বর পক্ষ আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে হাজির হন ইউএনও। এরপর বিয়ে ভে’ঙে দেওয়ার পাশাপাশি কনের মা মনিহা বেগমকে ১০ হাজার টাকা জ’রিমানা ও মুচলেকা আদায় করেন তিনি।

এর আগে, ৩০ জুলাই ওই উপজে’লার মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামে এবং ২৬ জুলাই ধ’রখার ইউনিয়নের রুটি গ্রামে দুটি বাল্যবিয়ে পণ্ড করে উপজে’লা প্রশা’সন।

আখাউড়ার ইউএনও রুমানা আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ ব’ন্ধ। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে গেছে। এই সুযোগে অভিভাবকরা তাদের স্কুলপড়ুয়া মেয়ের বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এছাড়া বাল্যবিয়ের কুফল স’স্পর্কে এখনো বহু মানুষ সচে’তন না। লকডাউন শেষে প্রতিটি ইউনিয়নে বৈঠক করে বাল্যবিয়ের কুফল স’স্পর্কে অভিভাবকদের সচে’তন করা হবে।