বাংলাদেশের মাটিতে ম্যাগনেটিক পিলার কেন স্থাপন করেছিল বৃটিশরা

0
2

ম্যাগনেটিক পিলার নিয়ে অনেক গু’জব ও জনশ্রুতি আছে, এই প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ স্থাপন নিয়ে। কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন।

আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আ’সলে এদেশের সব গো’পন তথ্য চু’রি করে নিয়ে যায়। (বৃটিশদের বাংলাদেশের মাটির নিচে ম্যাগনেটিক পিলার স্থাপনের আ’সল রহ’স্য!)

তবে আ’সল ঘ’টনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাসনের সময়কালে সীমানা পিলার গুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়াম সহ

ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে ব’জ্র’পাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলার গুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো। এতে করে ব’জ্র;পাত হতো কিন্তু মানুষ মা’রা যেতোনা।

অসাধু কিছু লোক এই পিলার গুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গু’জব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহা-মুল্যবান বলে অপপ্র’চার করে খুঁজে বের করে চু’রি করে নিয়ে গেছে।

প্রকৃতপক্ষে কেউ ই সীমানা পিলার বিক্রি করে বহু টাকা উপার্জন করার উদাহরণ দেখাতে পারেনি। সীমান্ত পিলার গুলোর মধ্যে থাকা তামা, পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুত সু-পরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহা মুল্যবান বলে

অপপ্র’চারের ফলে এসব পিলার চু’রি হতে থাকে।বৃটিশ শাসন আমলে ব’জ্রপাত থেকে বাঁ’চার জন্য এই প্রযু’ক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে।( এবং এ পিলারের রেডিও

ইলেট্রনিক্স তরঙ্গের সাহায্যে ভূমি জরিপ ও ম্যাপ প্র’স্তুতে ক’রতে এবং এটি বিমান চলাচলেও সহযোগিতা করত সে সময় ) এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।

আগেকার আমলে ব’জ্রপাতে নি’হত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় প’ড়ে গেছে । এখন নিশ্চই সবাই বুঝতে পারছেন কেন

বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো। ব’জ্রপাতে মৃ’ত্যু রো’ধকল্পে সরকারকে বৃটিশদের মতো করে পিলার স্থাপনের উদ্দোগ আবার গ্রহণ করা উচিত বলেও মতামত দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।